শ্রী তান্ত্রিক পান্থ চক্রবর্তী (শাস্ত্রী)
তন্ত্র সাধনা এবং জ্যোতিষশাস্ত্র কেবল একটি পেশা নয়, এটি এক মহৎ আধ্যাত্মিক সেবা। শৈশব থেকেই আধ্যাত্মিকতার প্রতি তীব্র আকর্ষণ এবং সাধনার তীব্র আকাঙ্ক্ষা শাস্ত্রীজীকে নিয়ে গিয়েছিল অসমের কামাক্ষ্যা ধাম এবং পশ্চিমবঙ্গের তারা পীঠ মহাশ্মশানে।
সেখানে প্রথিতযশা সিদ্ধ তান্ত্রিক ও তপোনিষ্ঠ মহাপুরুষদের সান্নিধ্যে থেকে তিনি কঠোর ব্রত অবলম্বন করেন। বিগত ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে দশম মহাবিদ্যার বিভিন্ন সাধনা সিদ্ধ করেছেন। তিনি বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি স্বরূপ **"শাস্ত্রী"** উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
শাস্ত্রীয় উপাচার এবং তান্ত্রিক ক্রিয়ার নির্ভুল যুগলবন্দীতে শাস্ত্রীজী মানুষের কর্ম ও ভাগ্যের বাঁধন খুলে চলেছেন। তাঁর পরামর্শের মূল লক্ষ্য হল অন্ধবিশ্বাস দূর করে মানুষকে সঠিক শাস্ত্রীয় যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রতিকার দান করা।
বিশেষজ্ঞতার ক্ষেত্রসমূহ
শাস্ত্রীজী বৈদিক জ্ঞান ও তান্ত্রিক গূঢ় সাধন ক্রিয়ার নিম্নলিখিত শাখাগুলিতে অভিজ্ঞ ও প্রত্যয়ী:
সন্তুষ্ট ভক্তদের প্রতিক্রিয়া
শাস্ত্রীজীর তান্ত্রিক সমাধান ও জ্যোতিষীয় মন্ত্রণায় দুঃখ ও কষ্ট কাটিয়ে শান্তি ফিরে পেয়েছেন এমন কিছু মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত কথা:
"আমার কাপড়ের ব্যবসায় লাগাতার ৪ বছর ধরে বিরাট লোকসান হচ্ছিল। দেনায় ডুবে গিয়ে আত্মহত্যা করার কথা ভাবছিলাম। শাস্ত্রীজীর পরামর্শে বাস্তু দোষ শোধন এবং বগলামুখী মহাযন্ত্র স্থাপনের পর মাত্র ৩ মাসের মধ্যে সমস্ত দেনা মিটে যায় এবং ব্যবসা নতুন করে ভালো চলতে শুরু করেছে।"
"আমাদের বিয়ের ৭ বছর পরেও কোনো সন্তান হচ্ছিল না। অনেক ডাক্তার দেখানোর পরও কোনো সুরাহা মেলেনি। আমার এক বান্ধবীর কথায় শাস্ত্রীজীর কাছে যাই। তিনি আমার ও স্বামীর কুষ্ঠী বিচার করে তান্ত্রিক জলপড়া ও বিশেষ হোম করান। আজ আমাদের কোলে এক ফুটফুটে পুত্র সন্তান খেলছে।"
"প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনে আমার জীবন ছারখার হয়ে গিয়েছিল। ভালোবাসার মানুষটি অন্য একজনের বশীভূত হয়ে আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছিল। শাস্ত্রীজীর বিশেষ বশীকরণ ও কামাক্ষ্যা তন্ত্রের মহাবলে আমার প্রেম ও বিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। আমরা আগামী মাসেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছি।"